1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি: কতখানি বিস্তার? - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি: কতখানি বিস্তার?

  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
  • ২১২ বার পঠিত
আমেরিকা

কোন দেশে আছে মার্কিন ঘাঁটি? জেনে নিন চমকে যাবেন!
অনলাইন ডেস্ক

আমেরিকা কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক শক্তির প্রভাব বজায় রাখতে ঘাঁটি পরিচালনা করে আসছে। হঠাৎ উদ্ভূত হুমকি দমন কিংবা শত্রুপক্ষকে কৌশলীভাবে আঘাত হানতে এই ঘাঁটিগুলো সর্বদা সজাগ ও প্রস্তুত। বিশ্লেষকরা বলেন, বিশ্বের ক্ষমতার ভারসাম্য আমেরিকার দিকে রাখার অন্যতম চাবিকাঠি হচ্ছে এসব সামরিক ঘাঁটি।

কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস–এর তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অন্তত ১৯টি স্থানে স্থায়ী ও অস্থায়ী সামরিক ঘাঁটির বিস্তৃত নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে। এর মধ্যে আটটি স্থায়ী ঘাঁটি রয়েছে বাহরাইন, মিশর, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহৎ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে কাতারে। ১৯৯৬ সালে গড়ে তোলা আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে রয়েছে বিপুলসংখ্যক মার্কিন সেনা। এখানে একসঙ্গে ১০০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান, ড্রোন, বোমারু বিমান ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন যুদ্ধযান প্রস্তুত অবস্থায় থাকে। ইরাক, সিরিয়া ও আফগানিস্তান যুদ্ধে এটি ছিল মার্কিন ‘কমান্ড সেন্টার’।

ইরাক, সিরিয়া, বাহরাইন, ওমান ও তুরস্কেও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি। এসব ঘাঁটিতে সাধারণ সময় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন থাকে। তবে যেকোনো বড় অভিযানে সেই সংখ্যা কয়েকগুণ বাড়ানো হয়। যেমন ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের পর ২০০৭ সালের মধ্যে এই ঘাঁটিগুলোর সামগ্রিক সেনাসংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছিল ১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা মোতায়েনের সূচনা ঘটে ১৯৫৮ সালে, লেবানন সংকটকালে। ওই সময় বৈরুতে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ সেনা পাঠায়। এটি ছিল তাদের প্রথম বড় সামরিক পদক্ষেপ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে প্রায় ১৫ হাজার মার্কিন সেনা লেবাননে অবস্থান করে। সেখান থেকেই শুরু হয় একের পর এক ঘাঁটি গড়ে তোলার অধ্যায়।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনকৃত এসব ঘাঁটি এখন ইরানের টার্গেটে পরিণত হয়েছে। ইরান হুমকি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে যুদ্ধে জড়ায়, তাহলে তাদের ঘাঁটিগুলো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে। বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত চরমে পৌঁছালে ইরানপন্থী মিলিশিয়ারা মার্কিন ঘাঁটি ও জাহাজে আঘাত হানবে—এটা প্রায় নিশ্চিত।

ইরান ইতোমধ্যে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও অন্যান্য যুদ্ধসামগ্রী প্রস্তুত করে রেখেছে। এই পদক্ষেপ সম্ভবত ইসরায়েল-মার্কিন আক্রমণের জবাবে পাল্টা হামলার ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা প্রস্তুতিতে আছে। ইউরোপে তারা পাঠিয়েছে ৩০টির বেশি জ্বালানিবাহী বিমান, যা যুদ্ধবিমানকে আকাশেই জ্বালানি দেবে কিংবা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার সময় বোমারু বিমানের সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ও সর্ববৃহৎ বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড-কে ভূমধ্যসাগরে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। চূড়ান্ত সংঘাত শুরু হলে এই রণতরী থেকেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলোতে অস্ত্র ও সহায়তা পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

সূত্র: গণমাধ্যম (আলজাজিরা)

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..